চাঁদাবাজি করল কেন্দ্রীয় কমিটি, বাতিল করা হলো সারা দেশের কমিটি : আব্দুন নূর তুষার

চাঁদাবাজির সঙ্গে একটি দলের নেতাদের যোগসূত্র আছে, যারা রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিয়ে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
চাঁদাবাজির পেছনে রাষ্ট্রীয় অপারগতা আছে উল্লেখ করে তুষার বলেন, ‘এই চাঁদাবাজি কি গতকাল প্রথম হয়েছে? এই চাঁদাবাজির অভিযোগ কি বারবার করা হচ্ছে না? মানুষের ঘরের মধ্যে ঢুকে মানুষের অন্তরবার জুতা, জামা যে ঘরের মধ্যে কেউ থাকে না সেটা লুট হয় নাই? বিভিন্ন জায়গাতে ঘরবাড়ির মধ্যে ঢুকে মানুষজনের মূল্যবান বস্তু নিয়ে যাওয়ার যে ঘটনা সেটা ঘটে নাই? সেটা যখন ঘটেছে তখন এই সরকার এই সরকারের লোকজন সেটাকে প্রেশার গ্রুপ বলেছে। নানা রকমের কথাবার্তা বলেছে। বলেছে যে এটা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেছে। এত দিন নির্যাতনের মধ্যে থাকলে মানুষ তো একটু সেলিব্রেশন করবে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দিচ্ছে জানিয়ে তুষার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে চাঁদাবাজি করে? আপনার মনে হয় তারা জানে না কিচ্ছু? তাদের নামে চাঁদাবাজি হচ্ছিল বা হচ্ছে। আমরা কি ওই ছবিটা দেখিনি যে গাড়ির কাচ নামিয়ে একজন ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিচ্ছেন এবং বলছেন যে এর আগে আরো টাকা দিয়েছেন। ওই ঘটনা ঘটার পরে যে-ই টাকাটা নিয়েছিল তাকে নিয়ে কোনো কথা বলা হয়েছিল? কিংবা ওই ঘটনাটাকে কি তারা তদন্ত করার জন্য দাবি জানিয়েছিল? ওইখানে যে ঘটনা আছে তাকে কি রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে?’
চাঁদাবাজির অভিযোগে কয়েকজন নেতাকর্মীর গ্রেপ্তার ইস্যুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি বাদে সব কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তুষার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির লোক গিয়ে ধরা পড়ল চাঁদাবাজি করতে। আর সেই কেন্দ্রীয় কমিটিটাই বহাল রাখল। মানে চোরের কমিটিটা রেখে সারা দেশের কমিটি বাতিল করে দিল। তাইলে আপনি বলেন যে এটা এটা কেমন বিচার হলো? সারা দেশে তার মানে তারা চুরি করছিল। সবাই চাঁদাবাজি করছিল। এজন্য সবারটা বন্ধ করেছে। এখন শুধু বড়রাই থাকবে, খাবে। একজন ধরা পড়ে গিয়েছে বলে আপাতত তাকে রিমান্ডে পাঠিয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি কিন্তু ঠিক আছে। ধরা পড়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির লোক আর ওইটাকে ঠিক রেখে বাতিল করেছে সারাদেশের কমিটি!’