জাতীয়
আধপোড়া একটি ছোট্ট জুতা

তবে নিরাপত্তারক্ষীরা কোনোভাবেই কাউকে ভেতরে যেতে দিচ্ছিলেন না। এমনকি সাংবাদিক পরিচয় দিলেও কাজ হচ্ছিল না।
বিজ্ঞাপন
ভেতরে সময় যেন স্থির হয়ে গেছে, অথচ চারপাশে শুধু ছোটাছুটি। ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুল্যান্স, সেনাবাহিনী—সবাই ব্যস্ত উদ্ধারকাজে। কেউ স্ট্রেচার বয়ে আনছে, কেউ আবার আহতদের তুলছে অ্যাম্বুল্যান্সে। হর্ন বাজিয়ে গাড়িগুলো ছুটছে হাসপাতালের দিকে।
এমন সময় চোখে পড়ে এক শিক্ষক—মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিসাববিজ্ঞানের শিক্ষক মো. সবুজ মিয়া।
হাতে মাইক্রোফোন, রক্তদানের আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কেউ বের হচ্ছিল, কেউ অপেক্ষা করছিল। এর মধ্যেই ঘটল দুর্ঘটনা। আমি নিজ চোখে তিন-চারটি শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখেছি।’