sonbahis girişsonbahissonbahis güncelgameofbetvdcasinomatbetgrandpashabetgrandpashabetエクスネスMeritbetmeritbet girişMeritbetVaycasinoBetasusBetkolikMeritbetmeritbetMeritbet girişMeritbetgiftcardmall/mygiftkomutantestkomutantest girişpanelpanel girişkomutankomutan girişcasibomcasibom girişcasibom güncel girişbetciobetcioromabetromabetromabetteosbetteosbetbetnisalobetbetrasonbahisrinabetcasinomilyonjojobetjojobetalobetalobetromabetromabetbetsmovebetsmoveartemisbetartemisbetlunabetlunabetceltabetceltabetteosbetteosbetroketbetroketbetbetkolikbetkolikmeritbetromabetromabetalobetalobetroketbetroketbetprensbetprensbetteosbetteosbetcasivalcasivalyakabetyakabetcasiveracasiveraorisbetorisbetjojobetjojobetalobetalobetromabetromabetbetsmovebetsmoveartemisbetartemisbetlunabetlunabetteosbetteosbethttps://m.betsiteleri-canli-bahis.vip/https://rodrigocornejo.es/celtabetceltabetroketbetroketbetbetkolikbetkolikkingbettingkingbettingromabetromabet girişkulisbetkulisbet giriştrendbettrendbet girişibizabetibizabet girişextrabetextrabet girişgalabetgalabet girişpradabetpradabet girişsonbahissonbahis girişalobetalobet giriş
জাতীয়

জনগণ না চাইলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Advertisements

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, ১৯৭৫-এর আগে যেভাবে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল সাম্প্রতিক কালেও সেরকম ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আপনারা এসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। আওয়ামী লীগ জনগণে বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে জনগণই এ দেশের মালিক। তারা চাইলেই আমরা সরকারে আসবো। না চাইলে আমরা আসবো না। তবে আমরা সন্ত্রাসীদের হাতে দেশটাকে তুলে দিতে চাই না। আমরা দেশটাকে জিহাদিদের হাতে তুলে দিতে চাই না।’

গতকাল রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ অডিটোরিয়ামে জাতীয় শোক দিবস- ২০২৩ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে খুনিরা যখন বঙ্গবন্ধুকে এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যা করে তখন পৃথিবীর কোনো দেশ মানবতার গান গায়নি। তাদের মৃত্যুতে শোক বার্তাও পাঠায়নি। আজ বিভিন্ন দেশ মানবতার জন্য হুঙ্কার দেয়। কিন্তু এতোগুলা মানুষকে যে হত্যা করা হয়েছিল তখন কারও মুখে কোনো কথা শোনা যায়নি।

বিজ্ঞাপন
Jhenada TV Logo
/JhenadaTV

সর্বশেষ আপডেট পেতে

🔴 সাবস্ক্রাইব করুন

কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইনের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা যাবে না এমন কালো আইন তখন করা হয়েছিল। খুনির বিচার করা যাবে না- এমন কালো আইন পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২১ বছর সংগ্রামের পর, সরকারে আসার পর, এই কালো আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের ব্যবস্থা করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জেলের ভিতরে জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার চেতনায় যারা বিশ্বাস করে তাদের সম্পূর্ণভাবে মূলোৎপাটন করা।

Advertisements

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যেসব দল আছে তারা সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে এবং তারা যখন সরকারে এসেছে তখন তারা এই কাজটাই করেছে।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে দেশের চিত্র তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সালে দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটে। সরকারি মদদে বাংলা ভাইয়ের উত্থান ঘটে। প্রকাশ্যে গাছের সাথে ঝুলিয়ে মানুষ হত্যা করে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় একসাথে বোমাবাজি করে। আদালতে বিচার চলাকালীন বোমাবাজি করে মানুষ হত্যা করে। বিদেশি একজন রাষ্ট্রদূত সিলেটে মাজারে গিয়েছেন সেখানেও গ্রেনেড হামলা করে এবং পুলিশসহ তিনজন নিহত হন। রাষ্ট্রদূতসহ অর্ধশতাধিক আহত হন।’

তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ চলাকালে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। সে ঘটনায় ২৪ জন মানুষ নিহত হন, প্রায় ৩০০ জন আহত হন।

তিনি সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যদি আমরা সন্ত্রাসীদের হাতে দেশকে তুলে দিতে না চাই, জিহাদিদের হাতে তুলে দিতে না চাই, দুর্নীতিবাজদের হাতে তুলে দিতে না চাই তাহলে আমাদের প্রত্যেকের একটি দায়িত্ব আছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ দেশের অবস্থা কেমন হয়েছিল তা সবাইকে জানান।’

বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাস আর নিরাপত্তাহীনতার কারণে মানুষকে তখন বাইরে বের হতেও ভয়ে থাকতে হতো। অভিভাবকেরা স্কুল কলেজে সন্তানদের পাঠাতে ভয় পেত। আমরা সেই অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।’

তিনি সবাইকে উদ্দেশ করে বলেন, যদি আপনার সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ চান তাহলে শেখ হাসিনার সরকারকে আবার জয়যুক্ত করবেন। বাংলাদেশের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত আপনাদেরই নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনি, সাবেক সচিব মো. শহিদ উল্লা খন্দকার, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মশিউর মালেক, তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ড. হারুন অর রশিদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

সব তথ্য এক ক্লিকে – আপনার জানার একমাত্র ঠিকানা!

দেশ-বিদেশের আপডেট, দরকারি তথ্য, সরকারি-বেসরকারি সেবা, প্রযুক্তির খবর কিংবা লাইফস্টাইল — এক জায়গায়, এক ক্লিকে!

এখনই ভিজিট করুন