ঝিনাইদহ

রাশেদ খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Advertisements
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান বিরুদ্ধে চাকরিসহ বিভিন্ন প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের একটি মিলনায়তন কেন্দ্রে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ব্যাংকার রাসেল আহমেদ, তার বাবা তাজউদ্দিন আহমেদ, গণঅধিকার পরিষদের নেত্রী জহুরা বেগম ও রাসেল আহমেদের স্ত্রী। তিনি অগ্রণী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তবে বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। এ সময় তিনি রাশেদ খানকে টাকা দেওয়ার বিভিন্ন প্রমাণাদি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। 

বিজ্ঞাপন
Jhenada TV Logo
/JhenadaTV

সর্বশেষ আপডেট পেতে

🔴 সাবস্ক্রাইব করুন

রাসেল আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘রাশেদ খান বিভিন্ন সময় প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। রাশেদ অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান।

আমি জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছি। সেক্ষেত্রে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে এমপি হতে পারলে সবার জন্য সুবিধা হবে। সেই প্রলোভন দেখিয়ে বিশেষ করে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। সে সব সময় বলতো, আমি গরিবের সন্তান।
আপনারা আমাদের পাশে থাকলে অন্তত একটু ভালো অবস্থানে যেতে পারব। তারই প্রেক্ষিতে দলের প্রোগ্রাম বাবদ ও নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য টাকা নিয়েছে।’ 

Advertisements

তিনি আরো বলেন, সে বিভিন্ন সময় বলতো জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করলে একটা ভালো মোবাইল ফোন ছাড়া হয় না। তার হাতের আইফোন যার দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সেই টাকাও আমার কাছ থেকে নিয়েছে।

তার একটি ল্যাপটপ, ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কিনেছে। সর্বশেষ সে যখন ঝিনাইদহতে একটি গাড়িতে আসে। সেই গাড়ির ১৬টি কিস্তির টাকা আমার কাছ থেকে নেওয়া। গাড়িটা ঢাকার একজনের নামে। তার এই টাকার যোগান দিতে গিয়ে আমি ও আমার পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছি। এসব টাকা ফেরত চাইলে সে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। এলাকার অনেক মানুষের টাকা এখন তার পকেটে। সেই টাকা দিয়ে বিলাসী জীবন-যাপন করছে। দেড় বছরে প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি আমার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় সে। এমনকি চীন সফরের আগেও আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিনাইদহ শাখায় পিওন পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে রাশেদ খান আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে। কিন্তু সেই চাকরি ও টাকা কিছুই পাইনি।’

নারী অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহুরা বেগম বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্য আমার কাছ থেকে প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নাই। আমি কাউকে কখনো চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেইনি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এসব নিয়ে সংবাদ না করাই ভালো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

সব তথ্য এক ক্লিকে – আপনার জানার একমাত্র ঠিকানা!

দেশ-বিদেশের আপডেট, দরকারি তথ্য, সরকারি-বেসরকারি সেবা, প্রযুক্তির খবর কিংবা লাইফস্টাইল — এক জায়গায়, এক ক্লিকে!

এখনই ভিজিট করুন