রাশেদ খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের একটি মিলনায়তন কেন্দ্রে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ব্যাংকার রাসেল আহমেদ, তার বাবা তাজউদ্দিন আহমেদ, গণঅধিকার পরিষদের নেত্রী জহুরা বেগম ও রাসেল আহমেদের স্ত্রী। তিনি অগ্রণী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
রাসেল আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘রাশেদ খান বিভিন্ন সময় প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। রাশেদ অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান।
তিনি আরো বলেন, সে বিভিন্ন সময় বলতো জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করলে একটা ভালো মোবাইল ফোন ছাড়া হয় না। তার হাতের আইফোন যার দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সেই টাকাও আমার কাছ থেকে নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিনাইদহ শাখায় পিওন পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে রাশেদ খান আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে। কিন্তু সেই চাকরি ও টাকা কিছুই পাইনি।’
নারী অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহুরা বেগম বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্য আমার কাছ থেকে প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নাই। আমি কাউকে কখনো চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেইনি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এসব নিয়ে সংবাদ না করাই ভালো।’