সারাদেশ
পাথর লুটপাটের অভিযোগে আটক ইউপি চেয়ারম্যান

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গত এক বছরে সাদাপাথর এলাকা থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট পাথর লুট হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকারও বেশি। একসময়ের মনোরম পর্যটন কেন্দ্রটি এখন ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে।
পাথর লুট ঠেকাতে সাদাপাথর ও জাফলং ইসিএ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথ বাহিনীর টহল, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের চেকপোস্টে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন, অবৈধ ক্রাশিং মেশিনের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ও বন্ধে অভিযান, পাথর চুরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও চুরি হওয়া পাথর পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপন করার এই ৫ দফা সিদ্ধান্ত নেয় সিলেটের প্রশাসন।
সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১৩ আগস্ট) রাত থেকেই লুটকৃত পাথর উদ্ধার করে সাদাপাথরে নিয়ে যেতে থাকে। রাত থেকে সিলেট ভোলাগঞ্জ সড়কে যৌথবাহিনীর চেকপোস্ট বসানো হয়।
বুধবার রাতে প্রায় ১২ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩০টি গাড়ি তল্লাশি করে ৭০টি ট্রাকে থাকা প্রায় ৩৫ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা পাথর সাদাপাথরে পুনঃস্থাপন করা হবে। যাতে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ ও পরিবেশ পুনরুদ্ধার হয় বলে জানিয়েছেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার মিতা।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পাথর লুটে জড়িত প্রভাবশালী কয়েকজনকে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুত বা পাচারে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।