সারাদেশ

নওগাঁয় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ১০

Advertisements

নওগাঁয় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির কর্মী সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ১০জন আহত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নে প্রত্যন্ত গ্রাম মাখনা কোমল গোটায় জামায়াতের এক কর্মীর বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিলো। ওই এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা শেষে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাড. আ.স.ম সায়েমসহ কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছিলো।

বিজ্ঞাপন
Jhenada TV Logo
/JhenadaTV

সর্বশেষ আপডেট পেতে

🔴 সাবস্ক্রাইব করুন

এসময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কর্মী সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করছিল। ছবি ওঠানো নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে দুইপক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।

পরে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের ঘরবন্দি করে রাখে। পরে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

Advertisements

নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতে আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, ‘গণসংযোগ শেষে বিকেলে প্রার্থী অ্যাড. আ.স.ম সায়েম ভাই একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এসময় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে হামলা করে। হামলায় আমাদের ৮ জন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং জামায়াতের লোকেরা হামলা করে আমাদের দুইজনকে আহত করাসহ মোবাইল ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের ছেলেদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানা যায়।

তিনি বলেন, ‘এলাকাটি প্রত্যন্ত। কিছুদিন আগে ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু ওই এলাকায় প্রচারণায় গিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জালাল খাবারের আয়োজন করেছিলো। কিন্তু জামায়াতের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করায় ম্যাজিস্ট্রেট আসে। প্রায় ২০০ লোক খাবারগুলো না খাওয়া নষ্ট হয়ে যায়। জামায়াতের লোকজন আজ খাবারের আয়োজন করে। সেখানে আমাদের ছেলেরা গিয়ে খাবারের ভিডিও করার সময় জামায়াতের লোকজন মারধর করে এবং মোবাইল ভাঙচুর করে। এতে দুইজন আহত হয়েছে।’

নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। যে যার মতো ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

সব তথ্য এক ক্লিকে – আপনার জানার একমাত্র ঠিকানা!

দেশ-বিদেশের আপডেট, দরকারি তথ্য, সরকারি-বেসরকারি সেবা, প্রযুক্তির খবর কিংবা লাইফস্টাইল — এক জায়গায়, এক ক্লিকে!

এখনই ভিজিট করুন