ঝিনাইদহে রাতের অন্ধকারে এক নারীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে শহরতলীর গিলাবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ওই নারী।
ভুক্তভোগী ওই নারীকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঝিনাইদহের আরাপপুর এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া বসবাস করেন।
তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকে আমি বাসা থেকে বেরিয়ে গিলাবাড়িয়া এলাকায় ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্টে কফি খেতে যাই। পরে রিকশার জন্য রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় একটি মাইক্রোবাস এসে আমাকে জোর করে তুলে নিয়ে হরিণাকুণ্ডুর দিকে যায়। গাড়ির ভেতর দুইজন লোক আমার হাত ধরে, একজন মাফলার দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে রাখে।
অপর একজন আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেয় এবং মারধর করে। পরে রাত ৯টার দিকে গিলাবাড়িয়া এলাকায় সেতুর পাশে আমাকে ফেলে রেখে যায় তারা। একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পূর্ব কোনো শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা ওই নারীর।
জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাজীব কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে।’
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে আমরা দেখা করেছি। অভিযুক্তদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’